কচাকাটা ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ন / ০
কচাকাটা ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নাগেশ্বরী প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের কচাকাটা ডিগ্রি কলেজে ল্যাব সহকারীসহ চারটি পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন মো. আনিসুর রহমান তোতা ব্যাপারী। অন্যদিকে কলেজের সভাপতি ও অধ্যক্ষের দাবি, বিধিবিধান মেনেই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধ ও দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কলেজের নবনিযুক্ত সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশও অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরাও উপস্থিত ছিলেন বলে তাঁরা জানান। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক বিরোধ বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিতর্কের মধ্যে ফেলা উচিত নয়।

কলেজের সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী বলেন, “আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়নি। যারা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তুলছেন, তাঁরা ব্যক্তিস্বার্থে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। প্রতিষ্ঠান কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি সবার। শিক্ষার মানোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

অন্যদিকে অভিযোগকারী মো. আনিছুর রহমান তোতা ব্যাপারী বলেন, “কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের নবনিযুক্ত সভাপতি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। গত ১০ মাসে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি করা হচ্ছে।” তবে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে কি না, সে প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা অপপ্রচার করা হলে তার দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।”

কুড়িগ্রামের সর্বশেষ সংবাদ