নিজস্ব প্রতিবেদক | Hamar Kurigram
কুড়িগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সহযোগী সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির ঘোগাদহ ইউনিয়ন শাখার সাবেক আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয় পর্যায়ে এনসিপির কর্মকাণ্ড তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক হলেও কুড়িগ্রামে এর সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রত্যাশিত মাত্রায় নেই। তাঁর ভাষ্য, কুড়িগ্রাম থেকে দলটির একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় নেতৃত্বকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না।
এনসিপি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আপনি যে দলের, মতের, শ্রেণীর হোন না কেন, এটা মানতে হবে—এনসিপি ছোট দল হলেও বর্তমান সময়ে সাহসী দল। কুড়িগ্রাম ব্যতীত এনসিপির কার্যক্রম সন্তোষজনক। কুড়িগ্রামে এনসিপির এমপি থাকলেও সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়ই বলা যায়।”
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনার অধিকার প্রসঙ্গে হাফিজুর রহমান বলেন, জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড হলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সমালোচনা করার অধিকার ভোটারদের রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার ভোটে নির্বাচিত এমপিকে গালি দেওয়ারও অধিকার রাখি। হুট করে এমপিকে গালি দিতে দেখলে ভাবিয়েন না আমার স্বার্থে আঘাত লাগছে। জনগণের স্বার্থবহির্ভূত হলে জনপ্রতিনিধিরে মাইরে বাপ।”
তবে বক্তব্যের শুরুতে কুড়িগ্রামে এনসিপির রাজনীতি ও নেতৃত্ব নিয়ে কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যও করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “সেভেন-আপ খেয়ে মাতাল হওয়া, আর কুড়িগ্রামে এনসিপির রাজনীতি করে নেতা হওয়া—দুটোই এক মনে হচ্ছে।”
হাফিজুর রহমানের এসব বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামে এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, স্থানীয় নেতৃত্বের ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ে দলটির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে এনসিপির নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।






