হামার কুড়িগ্রাম

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা, উদ্ধার ১৭ ভারতীয় ফোন

প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের মোবাইল জব্দ, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন

ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোবাইল চোরাকারবারি চক্রের হোতা হিসেবে অভিযুক্ত রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের ১৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রতন মধ্য ভরতের ছড়া এলাকার তফিজ উদ্দিনের ছেলে।

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, পিপিএমের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে থানার একটি ছদ্মবেশী দল রাতভর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের বিএসসি মোড়ে একটি দোকান পরিচালনার আড়ালে রতন ভারতীয় মোবাইল ফোন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে চোরাই মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করা হতো বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। রতন ও তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ের সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করত বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, এর আগে রতনকে গ্রেপ্তারে একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও তিনি ধরা পড়েননি। সর্বশেষ অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোন কেনাবেচার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে রতনের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের কয়েকজনের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এলাকার কিছু উঠতি বয়সী যুবক ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ছিল। গ্রেপ্তারের ফলে এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড কমবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

কুড়িগ্রামের সর্বশেষ সংবাদ

Exit mobile version