চিলমারী প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ফকরুদ্দীনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম মেনে অর্থ জমা দেওয়ার পরও প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন চর হরিপুর এলাকার ১৪টি পরিবার।
সোমবার চিলমারী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। লিখিত বক্তব্যে স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউনুছ আলী জানান, ডিপোজিট লাইনের মাধ্যমে সংযোগ নিতে ১৪টি পরিবার লাইন নির্মাণ ও মিটার জামানত বাবদ মোট ৬৬ হাজার ৭০০ টাকা জমা দেয়। প্রায় তিন মাস আগে মিটার এলেও এখনো সংযোগ দেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে চিলমারী জোনাল অফিসসহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও সমাধান মেলেনি। তাদের আরও অভিযোগ, সংযোগের বিষয়ে জানতে গেলে ডিজিএম ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ডিজিএমের বক্তব্যে বিষয়টি উল্লেখ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনুছ আলী আরও অভিযোগ করেন, তাঁর রাইস মিলের মিটার নষ্ট হওয়ার পর নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করলেও প্রায় দেড় মাসেও সংযোগ দেওয়া হয়নি। এতে মিলের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে ডিজিএম মো. ফকরুদ্দীন বলেন, ওই এলাকায় সংযোগকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ কারণে সংযোগ দিতে বিলম্ব হচ্ছে।
রাইস মিলের সংযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতিরিক্ত লোডের কারণে মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মালিককে থ্রি-ফেজ সংযোগের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদনটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।
কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. শামীম পারভেজ বলেন, কেন সংযোগ দেওয়া হয়নি, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মো. কামরুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. রেজাউল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।






