ডেস্ক নিউজ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট ফেলে পালিয়েছে চোরাকারবারিরা। পরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা বস্তাটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে পুলিশের কাছে গোপন তথ্য ছিল যে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় কিটক্যাট চকলেটের একটি অবৈধ চালান ভূরুঙ্গামারী হয়ে নাগেশ্বরীর দিকে নেওয়া হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে সন্দেহভাজন চোরাচালান চক্রকে আটকের চেষ্টা চালায়। তবে চক্রের সদস্যরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এরপরও পুলিশ তাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখে।
উল্লেখ্য যে, কিটক্যাট চকলেট স্থানীয়রা আটক করলে বিএনপি কর্মী আরিফ (যুবদল নেতা) ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন দেওয়ানের খামার মৌজার ব্র্যাক অফিসের সামনে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল পুলিশের টহল দলকে দূর থেকে দেখতে পেয়ে রাস্তার ওপর একটি বস্তা ফেলে উল্টো পথে পালিয়ে যায়।
পরে বস্তাটি তল্লাশি করে ২৭টি প্যাকেটে থাকা মোট ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা চকলেটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা।
পুলিশ জানিয়েছে, জব্দ করা চকলেট আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে চোরাচালান চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য উপজেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।






