হামার কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রামে বিভিন্ন শাখার সভাপতি সম্পাদকসহ ৫ ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে কুড়িগ্রামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের পাঁচ ছাত্রদল নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। গত ২ সেপ্টেম্বর পৃথক চিঠির মাধ্যমে তাদের এ নোটিশ দেওয়া হয়।

শোকজ পাওয়া নেতারা হলেন—কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুর রহমান সাব্বির তন্ময় ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান ইমন, মজিদা কলেজ শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আরাফাত কবির আদর, কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসা শাখার সভাপতি জুলফিকার আলি এবং কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ আহমেদ মুরসালীন।

জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক অর্ঘ্য দ্বীপ সাহা স্বাক্ষরিত পৃথক নোটিশে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে থেকেও তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

নোটিশে বলা হয়, অভিযোগের বিষয়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা পত্র পাওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বিপুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানার কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

তবে শোকজ পাওয়া কয়েকজন নেতার দাবি, তারা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, সেটিও তারা জানেন না বলে দাবি করেছেন।

তাদের অভিযোগ, জেলা ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ‘কোরাম’ বা নির্দিষ্ট বলয়ের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকায় তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন।

শোকজ পাওয়া নেতারা আরও দাবি করেন, নোটিশ দেওয়ার পরও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে তাদের এখনো সরাসরি কোনো সাক্ষাৎ বা কথা হয়নি।

এদিকে দলীয় সূত্র বলছে, নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের জবাব দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

তবে ‘কোরাম রাজনীতি’ ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ অভিযোগের বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বিপুল ও সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Exit mobile version