
মোঃ মাইদুল ইসলাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কচুক্ষেতে ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে ছাগলওয়ালাকে মারপিট, টাকা ছিনতাই এবং পরবর্তীতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ভূরুঙ্গামারীর কামাত আঙ্গারিয়া (দাফাদার মোড়) এলাকায়। অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত সোনাউল্লাহর ছেলে নাসির উদ্দিন ডাবলু সকালে তার ছাগল সামাদের কচুক্ষেতে ঘাস খাওয়ানোর জন্য বেঁধে রাখেন। পরে সকাল ১১টার দিকে তিনি ব্যবসায়িক কাজে ভূরুঙ্গামারী বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় দাফাদার মোড়ের একটি চায়ের দোকানে একই এলাকার আজিমুদ্দিনের ছেলে সামাদের সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সামাদ, তার দুই জামাই ও এক নাতি মিলে নাসির উদ্দিন ডাবলুকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এতে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং চোখের ডান পাশে কেটে রক্তাক্ত হয়। পরে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরে তিনি দেখতে পান, তার কাছে থাকা এক লাখ দশ হাজার টাকা নেই। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর নাসির উদ্দিন ডাবলু ও তার দুই ভাইয়ের নামে এক মহিলাকে হেনস্তার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ওই সময় তার দুই ভাই বাড়িতে ছিলেন না— একজন ছিলেন বাসস্ট্যান্ড এলাকায়, আরেকজন নাগেশ্বরীতে।
এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন ডাবলু জানান, তিনি এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। তবে সুস্থ হয়ে উঠলে গ্রাম্যভাবে মীমাংসা না হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুর লতিফ বলেন, ঘটনার সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদে ছিলেন। বাড়ি ফেরার পর জানতে পারেন, ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে দাফাদার মোড়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। তবে কে কাকে আগে মেরেছে তা তিনি জানেন না। ডাবলু একা ছিলেন, অপরদিকে সামাদের লোকজন বেশি ছিল। সামাদের পক্ষ থেকে তাদের বাড়ির এক মহিলাকে হেনস্তার অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তিনি চেষ্টা করছেন বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে সমাধান করতে।
আপনার মতামত লিখুন :