শিশু হত্যার সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে বাঁধা


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ন /
শিশু হত্যার সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে বাঁধা

ডেস্ক নিউজ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে শিশু হত্যার ঘটনায় তিন দিন পার হলেও রহস্য উদ্‌ঘাটন হয়নি। এ বিষয়ে সরেজমিন সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তি তিন সাংবাদিককে বাধা দেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিলমারী সাংবাদিক ফোরাম ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

জানা গেছে, গেলো শুক্রবার রাতে উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা এলাকায় আয়শা (২) নামে দুই বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এত দিনেও আসামী শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছেন তদন্ত চলমান রয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার (২০ এপ্রিল) সরেজমিনে, স্থানীয় তিন গণমাধ্যমকর্মী দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি রিয়াদুল ইসলাম, দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি ফয়সাল হক ও দৈনিক কালবেলা প্রতিনিধি এস এম রাফি ঘটনাস্থল এলাকায় গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে তথ্য নিতে গেলে ওই এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন ওই তিন সাংবাদিককে সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা দেয়। এছাড়াও অকথ্য ভাষায় তিন সাংবাদিককে আক্রমণ করেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সমকাল প্রতিনিধি রিয়াদুল ইসলাম জানান, আমরা তিন জন সংবাদ সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলাম। পাশাপাশি স্থানীয় সহ ওই পরিবারের সাথে কথা বলছিলাম, এসময় মহিউদ্দিন আমাদেরকে চার্জ করা শুরু করে এবং অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে গালিগালাজ করেন। এ বিষয়ের জন্য আমরা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

কালবেলা প্রতিনিধি এস এম রাফি বলেন, সরেজমিনে সংবাদ প্রকাশের জন্য তথ্য নিতে গেলে হঠাৎ মহিউদ্দিন এসে বলেন আপনারা কিসের সাংবাদিক, ভুয়া সাংবাদিক আপনাদের কার্ড কই? এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে সাংবাদিক সমা কে হেয় করেন। স্বাধীন সাংবাদিকতায় এমন আচরণ মানা যায় না। কণ্ঠ রোধ করবার এই অপচেষ্টা নিসন্দেহে সত্য ধামাচাপা দেবার পায়তারা।

দৈনিক ইনকিলাব প্রতিনিধি ফয়সাল হক বলেন, “সংবাদ সংগ্রহে এ ধরনের বাধা আমাদের পেশাগত স্বাধীনতা ও জনগণের তথ্যাধিকার হরণ করে। আমরা চাই, সাংবাদিকরা যাতে নির্বিঘ্নে সত্য তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।”

সাংবাদিকদের হেনস্তাকারী অভিযুক্ত মহিউদ্দিন আহমেদকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও পাওয়া যায় নি।

চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন কুমার জানান, মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে।