
নিউজ ডেস্ক
আজ ১৬ মার্চ দিবাগত রাত পবিত্র লাইলাতুল কদর। মুসলমানদের কাছে এটি অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় একটি রাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগি, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আসকার ও নফল নামাজের মাধ্যমে রাতটি অতিবাহিত করবেন।
রমজান মাসের শেষ দশকের যেকোনো বিজোড় রাত লাইলাতুল কদর হতে পারে। তবে অনেক আলেমের মতে, ২৬ রমজানের দিবাগত রাতেই শবেকদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ উপলক্ষে ২৭ রমজান দেশে সরকারি ছুটি পালন করা হয়।
বিশ্বাস করা হয়, পবিত্র কোরআন এই রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। কোরআনে সূরা আল-কদর-এ এই রাতের ফজিলত ও মর্যাদা বর্ণনা করা হয়েছে। ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.) এই রাতে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া করার জন্য উম্মতকে আহ্বান জানিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, শবেকদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। ফলে এই রাতে ইবাদত করলে অন্য সময়ের দীর্ঘ ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।
শবেকদর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ মুসলিম বিশ্বকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এদিকে শবেকদর উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পর ‘পবিত্র শবেকদরের ফজিলত ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :