সাবেক ইউএনওর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে না দেওয়ার দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের


HK প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন /
সাবেক ইউএনওর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে না দেওয়ার দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম | ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অনিয়ম ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কুড়িগ্রাম শাখা।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। সংগঠনের জেলা শাখার মুখপাত্র জান্নাতুল ফেরদৌস মিম স্বাক্ষরিত ওই আবেদনপত্রে মাহমুদুল হাসান (আইডি নং: ১৮৬৯৮)-এর বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালে অপেশাদার আচরণ, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সাধারণ শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ ছিল অসহযোগিতামূলক ও সংবেদনশীলতার অভাবপূর্ণ। এছাড়া, তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সক্রিয় থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যা নিয়ে জনমনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রত্যাশিত নিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ প্রেক্ষিতে, অভিযোগগুলো যাচাইয়ে দ্রুত একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিতর্কিত বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

সংগঠনের মুখপাত্র জান্নাতুল ফিরদাউস মিম বলেন, রাষ্ট্রে সুশাসন ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে দায়িত্বশীল পদে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।