সভাপতি পদ না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রসাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ন /
সভাপতি পদ না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রসাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের

নিউজ ডেস্ক

উলিপুরের আদর্শ এতিমখানা দ্বি-মুখী আলিম মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুর রহমান বিরুদ্ধে সভাপতি পদ না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মত গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মাদ্রাসাটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাঃ আলতাফ হুসাইন।

সম্প্রতি কুড়িগ্রামের বিভিন্ন স্থানীয় গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কমিটি স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হলে সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এসব অভিযোগ উল্লেখ করেন মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, মুহাঃ আলতাফ হুসাইন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান সাবেক অধ্যক্ষের ও তার পুত্র উভয়ে মিলে গভর্নিং বডির সভাপতি ও অন্যান্য পদে থাকতে না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে একের পর এক গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। এর ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন,সাংবাদে বলা হয়েছে যে, মাদ্রাসার নবগঠিত কমিটি অবৈধভাবে গঠিত হয়েছে এবং ভোটার তালিকায় মৃত ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। উল্লেখ্য যে, এই কমিটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড প্রবিধানমালা- ২০০৯ (সংশোধিত ২০১২) এর বিধি মোতাবেক গঠন করা হয়েছে।

এছাড়াও তিনি আরো জানান, সংবাদে অভিযোগকারী মোঃ আজিজুর রহমান বলেছেন যে, ভোটার তালিকা প্রকাশ, শ্রেণিকক্ষে প্রচার, নোটিশ বোর্ডে টানানো বা এলাকায় প্রচার করা হয়নি; অর্থাৎ এটি গোপনে প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—খসড়া ভোটার তালিকা বিধি মোতাবেক প্রস্তুত করার পর তা শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে নোটিশ মারফত জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে টানানো হয় এবং আশেপাশের জনবহুল এলাকায় দেয়াল নোটিশ আকারেও প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছিল। সর্বোপরি, এই নোটিশে অভিযোগকারী মোঃ আজিজুর রহমানের বড় ছেলে মোঃ সামসুদ্দোহা (আরবি প্রভাষক) এবং তার ছোট মেয়ে মোছাঃ সিরাজুম মুনিরা (সহকারী গ্রন্থাগারিক)-অত্র মাদ্রাসার কর্মচারী—উক্ত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের বিষয়ে অবগত হয়ে নোটিশ খাতায় স্বাক্ষরও করেছেন। ইতোমধ্যে এই সকল ডকুমেন্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা) বরাবর দাখিল করা হয়েছে। সুতরাং, এটি সুস্পষ্ট যে, ভোটার তালিকা প্রকাশ না করার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এছাড়াও, মৃত ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রসঙ্গে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা আংশিক তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য হলো—ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করার সময় তাদের পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে যদি কোনো অভিভাবক মারা যান, সেক্ষেত্রে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তৎসংশ্লিষ্ট তথ্য কর্তৃপক্ষকে নোটিশ মারফত অবগত করার জন্য জানানো হয়েছিল। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য হালনাগাদ না করায়, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের কোনো দায় বর্তায় না। পরবর্তীতে, সেই খসড়া তালিকাটিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হিসেবে অনুমোদন করা হয়েছিল। অতঃপর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কর্তৃক ঘোষিত তফসিলও পূর্বোক্ত নিয়ম অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য যে, এই নোটিশেও অভিযোগকারীর বড় ছেলে মোঃ শামসুদ্দোহা (আরবি প্রভাষক) ও ছোট মেয়ে মোছাঃ সিরাজুম মুনিরা (সহকারী গ্রন্থাগারিক) অবগত হয়ে স্বাক্ষর করেছেন। অথচ সার্বিক বিষয় অবগত হওয়ার পরেও কোনো দাতা সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। এরপর তফসিলের বর্ণিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হলে তা যথাযথভাবে অনুমোদন লাভ করে। সুতরাং, উক্ত সংবাদের প্রদত্ত তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য, যা আমার এবং এই মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মাত্র।

এছাড়াও, তৎকালীন অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুর রহমান ২০১৬ সালে তার দ্বিতীয় পুত্র মোঃ নাজমুল হুদাকে আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে রেজুলেশনভুক্ত করেছিলেন। কিন্তু ৯ই মার্চ ১৬ তারিখে উক্ত অনুদানের ২,০১,০০০ টাকা মাদ্রাসার হিসাব নম্বরে নামমাত্র জমা দেওয়া হলেও, ২১শে মার্চ ১৬ তারিখে তা উত্তোলন করা হয়। পরবর্তীতে ২রা ফেব্রুয়ারি ১৮ তারিখে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার পুত্রকে দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করে নিজ চাচা মোঃ আব্দুল খালেক সরকারকে আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। অর্থাৎ, উল্লিখিত দুইজন আজীবন দাতা সদস্যের মধ্যে একজনের অর্থ নামমাত্র জমা দিয়ে উত্তোলন করা হয়েছে, অপরজনের ক্ষেত্রে কোনো অর্থ মাদ্রাসার হিসাব নম্বরে জমা দেওয়া হয়নি।

ফলে স্পষ্টতই অভিযোগকারী হয় মনগড়া ও অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে দাতা সদস্য সৃষ্টি করেছেন, নতুবা উক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ সংক্রান্ত ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ সকল প্রামাণ্য নথি তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট দাখিল করা হয়েছে। সুতরাং প্রকৃত দাতার সঠিক তথ্য প্রতিষ্ঠানের নথিতে সংরক্ষিত ছিল না বা নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি।

এছাড়াও প্রকাশিত সংবাদে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব ওবায়দুর রহমান বুলবুল কর্তৃক সদস্য সচিব জনাব মোঃ হায়দার আলী সাহেবের বরাত দিয়ে উপস্থাপিত বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত অভিমত। প্রকৃতপক্ষে, গত ১৪ই সেপ্টেম্বর ২৫ তারিখে আমি স্বয়ং ১৫-২০ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে জনাব হায়দার আলী সাহেবের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, কমিটি গঠন প্রসঙ্গে আমার সাথে তার কোনো আলোচনা হয়নি এবং তিনি কাউকেও এ বিষয়ে কোনো সুপারিশও করেননি। অতএব, উক্ত বক্তব্য বাস্তবতার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও আইনি দায়ভার কেবলমাত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর ন্যস্ত। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ব্যতীত অন্য কাউকে তা অবহিত করারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

অপর অভিযোগকারী, প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে ও মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী জনাব মোঃ আব্দুল কাহার নাঈম মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাদ্রাসার কাগজপত্রের সঙ্গে জমির করের রশিদ ও অন্যান্য নথি জালিয়াতি করে মঞ্জুরি নবায়ন করেছেন এবং মাদ্রাসার মঞ্জুরি স্থগিতের আবেদন করেছেন। এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়েছে যে, মূল জমি ১৫ শতক হলেও তা ১৭৭ শতক দেখানো হয়েছে।


বাস্তবতা হলো—বিগত ২৮শে মার্চ ২৪ তারিখে মোঃ আজিজুর রহমান সাহেব তার নিজস্ব সম্পত্তি, সাবেক খতিয়ান নং-৯৬০, দাগ নং-২৯৫৯ (১ একর ৬.৫ শতক) এবং দাগ নং-২৯৬০ (১ একর ৪.৫ শতক), অর্থাৎ মোট ২.১১ একর সম্পত্তি মাদ্রাসার নামে রেজিস্ট্রি মূলে দলিল করে দেন। উল্লেখ্য যে, মোঃ আজিজুর রহমান সাহেব নব্বইয়ের দশক থেকে ৩১শে অক্টোবর ১৭ তারিখ পর্যন্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি আরএস রেকর্ডে ২.১১ একরের পরিবর্তে ৩৪ শতক জমি মাদ্রাসার নামে রেকর্ডভুক্ত করেন এবং তিনি স্বয়ং দলিল মূলে একাধিকবার (১৫ বার) ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করেন।


আমি ১৩ই মে ২৪ তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হই। দায়িত্বকালীন সময়ে মাদ্রাসার স্বীকৃতির মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনুসন্ধান করে জানতে পারি যে, আরএস রেকর্ডে মাদ্রাসার নামে ২.১১ একরের পরিবর্তে মাত্র ৩৪ শতক জমি রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। আমি উক্ত ৩৪ শতক জমির ভূমি উন্নয়ন কর যথানিয়মে পরিশোধ করে বৈধ রশিদ গ্রহণ করি। অন্যদিকে, মোঃ আজিজুর রহমান ২০২০ সাল পর্যন্ত ভুয়া ও জাল রশিদ তৈরি করে মাদ্রাসার মঞ্জুরি নবায়ন করেছিলেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে জমিদাতা মোঃ আজিজুর রহমানের নিকট সাক্ষাৎ করি। তিনি স্বীকার করেন যে, পূর্বে দলিল মূলে তিনি ২.১১ একর জমির ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করে মাদ্রাসার স্বীকৃতির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছিলেন এবং পরবর্তী আরএস রেকর্ড সংশোধনের পরামর্শ দেন। এর ভিত্তিতে, প্রতিষ্ঠানটির বৃহত্তর স্বার্থে আমি ২২শে সেপ্টেম্বর ২৪ তারিখে মাদ্রাসার স্বীকৃতির মেয়াদ ৫ (পাঁচ) বছর বৃদ্ধির আবেদন করি, যা বোর্ড কর্তৃপক্ষ অনুমোদন করেন। ইতোমধ্যে জেলা কালেক্টরেট অফিস অনুসন্ধানে জানা যায় যে, জনাব মোঃ আজিজুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত ২.১১ একরের দলিলটি জাল বা ভুয়া। অতএব, প্রকৃত অপরাধী মোঃ আজিজুর রহমান। অথচ অপর অভিযোগকারী মোঃ আব্দুল কাহার নাঈম তার পিতার এই অপরাধ আড়াল করার পাশাপাশি আমার নাম ব্যবহার করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, অভিযোগকারী মোঃ আজিজুর রহমান, যিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং বিভিন্ন সময় গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনি নিয়োগ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, শিক্ষক-হয়রানি, অবৈধ শোকজ/সাসপেন্ড, পদোন্নতি ও উচ্চতর স্কেল প্রদানের মাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত ছিলেন। তিনি তার বাসায় গোপনে রেজুলেশন বই সংরক্ষণ করতেন এবং অবৈধভাবে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন বিল স্থগিত রাখার মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতেন। উক্ত অপকর্মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। সত্যতা বিষয়ক প্রতিবেদন বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রতিটি প্রমাণপত্র তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট দাখিল করা হয়েছে। এর ফলে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তারা গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০০৯ এর ধারা ১১(গ) অনুযায়ী কমিটির যে কোনো সদস্য পদ লাভের অযোগ্য।

তিনি বলেন উপরোক্ত বাস্তবতার প্রেক্ষিতে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।