নিউজ ডেস্ক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কৃষি অনুষদভুক্ত ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে প্রভাষক পদে গত ১২ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি. তারিখে যোগদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান। এদিকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে Linclon University of NewZeland থেকে পিএইচডির জন্য স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তিনি।
আশিকুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সুভারকুটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
আশিকুর রহমান নিজ এলাকার হলোখানা হাই স্কুল থেকে ২০০৬ এসএসসি এবং খলিলগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০০৮ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে ২০০৯-১০ সেশনে ভর্তি হোন। তিনি ৩.৯৬ পয়েন্ট পেয়ে স্নাতক এবং ৩.৯৩ পয়েন্ট পেয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। অনার্স ও মাস্টার্সে অসামান্য অবদান রাখায় ২০১৪ সালে পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক।
এদিকে আশিকুর রহমান ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে যোগদানের পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি বিএডিসি’তে যোগদান করে দক্ষতা ও সুনামের সাথে চাকুরি করেছেন। এর আগে তিনি ৩৮, ৪০ ও ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় জেনারেল ক্যাডারে টানা ৩বার ভাইভা দিয়েছিলেন কিন্তু প্রতিবারই নন-ক্যাডার তালিকাভুক্ত হন। তুলা উন্নয়ন বোর্ড-এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড) এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড (পেট্রোবাংলা) এর সহকারী ব্যবস্থাপক (এডমিন) পদে চাকুরি হওয়ার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার নেশায় যোগদান করেননি তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশিকুর রহমান বলেন, আমি ২০০৯-১০ সেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের আওতাভুক্ত ক্রপ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স শেষ করি যা একাধারে কৃষি অনুষদ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের মধ্যে ঐ সময়ে সর্বোচ্চ ফলাফল ছিলো। ফলশ্রুতিতে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ও বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হই। আমাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারি এজন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা করেন তিনি।

