বিগত ৩৫ বছরে জেলা বিএনপির রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে জনাব মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৮, ২০২৫, ৫:৩২ অপরাহ্ন /
বিগত ৩৫ বছরে জেলা বিএনপির রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে জনাব মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা

অল্প কয়েক মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই উক্তিটি ❝নারী কিসে আটকায়❞ ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।
গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক (সাইনিং পাওয়ার) ও সাবেক ১ নং সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুুর রহমান মোস্তফা চাচাকে আহবায়ক এবং কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ জনাব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (সাবেক সভাপতি কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল ও যুবদল) সোহেল ভাইকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যর আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।


কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির রাজনীতির সহিত যারা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত তাদের কাছে কমিটি অনুমেয় ছিল।
কেননা একটি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া যখন শুরু হয় তখম বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও তথ্য-উপাত্ত ভিত্তিতে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যায় কমিটি কি হচ্ছে এবং কাদের নাম আসছে।


এই কমিটি ঘোষণার হবার পর জেলার রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় যেহেতু কর্মীদের কাছে কমিটি অনুমেয় ছিল, ঘোষিত কমিটির আহবায়ক সদস্য সচিব সহ সকলেরই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এবং আন্তরিকতায় জেলা বিএনপির সকল কার্ষক্রম গতিশীল ভাবে এগিয়ে চলছে।


বিগত পুরাতন কমিটির বিরোধীরা নুতুন কমিটি গঠন হবার পর অনেক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে, গঠিত কমিটি কুড়িগ্রামের রাজনীতিতে সুদুরপ্রসারি ভুমিকা রাখবে এবং তাদেরকে সহযোগিতা করার কথা ব্যক্ত করেন।
৫ ই আগষ্টের পর দল একটি ভিন্ন পরিবেশের সম্মুখীন হয় যেখানে দলের প্রতিদ্বন্দ্বী অদৃশ্য শক্তি, এমতাবস্থায় সকল প্রতিকূলতা এড়িয়ে জেলার আহবায়ক এবং সদস্য সচিব এর নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি।
তথাকথিত নামধারী বিএনপি’র ষড়যন্ত্রকারী এখন আবারও সংগঠিত হয়ে নুতুন কমিটির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান নিয়েছে।


স্বভাবতই এখন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সকলেরই প্রশ্ন আদতে তারা কোন আদর্শ নিয়ে বিএনপি করছে, যেখানে ৩৬৫ দিনই তাদের দলের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হয়।
তারা আসলেই চায় কি?
কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক জনাব মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা চাচাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কুৎসা রটানো হচ্ছে তা শতভাগ ভিত্তিহীন।
যারা এই কাজ করছে এরা গুটিকয়েক এবং বিগত সাড়ে পনের বছরে কুড়িগ্রামের রাজপথে একটি মিছিল করার নজির নেই, আবার এদের কেউ কেউ বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে তাদের সহযোগী হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিশ্চিত জীবনযাপন করেছে।


হামলা মামলা তো দূরে থাক একটি ফুলের আছর পড়েনি তাদের শরীরে, এরা এখন বড় ত্যাগী সেজে ফ্যাসিষ্টদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।


নব্বইয়ের দশক থেকে আজ পর্যন্ত জেলা বিএনপিতে স্বকীয় যোগ্যতায় কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির রাজনীতিতে যে কয়েকজন নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তার মধ্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক জনাব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা অন্যতম।


জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ ইদ্রিস আলী (মরহুম) এবং ওমর ফারুকের চাচার কমিটিতে তিনি ১ম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন।
১/১১ পরবর্তীতে দেশ ও দলের ক্রান্তিকালে তিনি কুড়িগ্রাম বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক (সাইনিং পাওয়ার) এর দায়িত্ব পান এবং জেলার আহবায়ক হবার আগ পর্যন্ত ১ নং সহ-সভাপতির দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথেই পালন করেন।
কিছু পরগাছার কথায় মনে হচ্ছে তাকে মঙ্গলগ্রহ থেকে এনে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহবায়ক এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।


বিগত ৩৫ বছরে জেলা বিএনপির রাজনীতির প্রতিটি বাঁকে জনাব মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে সম্মুখ সারীতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।


দলের মধ্যে মতানৈক্য থাকবে এটাই স্বাভাবিক তার সমাধানও হবে দলীয় ফোরামে অথবা ব্যক্তিগত পর্যায়ে আলোচনা করে বিষয় গুলো এভাবেই নিষ্পত্তি হচ্ছে যুগ যুগ ধরে।


আপনারা যারা বিগত সময়ের ন্যায় এখনো হীনস্বার্থে দলকে বিভক্ত এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কাজে নিয়োজিত আমরা আশাবাদী আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে কেননা আপনারা বিজ্ঞ।
ভয়ে কাঁপে কাপুরুষ, লড়ে যায় বীর।

লেখকঃ
মোঃ আমিমুল ইহছান
সভাপতি
কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল।
(সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদল)