অনিল চন্দ্র রায়, ফুলবাড়ী
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষ। বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বালারহাট বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শুকনা মরিচ ৪০০, পটল ৪০, ঢেঁড়স ৪০, বেগুন ৪০, করলা ৮০, বরবটি ৬০, ঝিঙা ৩০, শসা ৬০, কচু ৩০, পেঁপে ২০ ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
অন্যদিকে, আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা—কিছু স্থানে ১৫ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৪০ টাকা এবং রসুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংসারের খরচ। বিশেষ করে কাঁচা মরিচসহ সবজির বাড়তি দামে রান্নাঘরের বাজেট সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে।
বালারহাট বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা দিনমজুর নজরুল ইসলাম ও কাসেম আলী বলেন, “এক সপ্তাহ আগেও কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। গত তিন দিন ধরে দাম কমে ২৪০ টাকা হয়েছে। অন্যান্য সবজির দামও কিছুটা কমেছে। তবে নিত্যপণ্যের সামগ্রিক দাম এখনও বেশি। আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।”
খুচরা ব্যবসায়ী নতু মিয়া, হেলাল মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এবার ঘনঘন বৃষ্টির কারণে মরিচসহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং পাইকারি দাম কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমে আসবে বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।






