ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার নতুন ধারা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না: মাওলানা আবদুল হালিম


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ৮:১০ অপরাহ্ন /
ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার নতুন ধারা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না: মাওলানা আবদুল হালিম

নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর ও রৌমারী উপজেলায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, “কিছু কিছু ব্যক্তি আমাদের সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়ায় এবং ভিন্ন তকমা দিয়ে আমাদের পথ চলাকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করে। তারা যুক্তি, বুদ্ধি ও হিকমা দিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারায় এই ভিন্ন কথাবার্তা প্রচার করে মানুষের দৃষ্টিকে বিভ্রান্ত করতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের গঠনতন্ত্রে আল্লাহ, রাসূল (সা.), কুরআন ও সাহাবায়ে কেরামের আদর্শ অনুসরণের বিষয়ে স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে। এই নির্দেশনার আলোকে দল ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য কাজ করছে।

মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “বর্তমানে মানুষের মধ্যে জামায়াতের প্রতি যে সাড়া তৈরি হয়েছে, ৮ দলের পক্ষে যে আস্থা গড়ে উঠেছে এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে নতুন ধারা তৈরি হয়েছে—এগুলোকে কেউ ব্যাহত করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ইসলামী আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য হলো সততা, ত্যাগ এবং আল্লাহর জন্য পরিশ্রম। যত কঠিন পরিস্থিতি হোক, বিশুদ্ধ নিয়ত এবং আল্লাহর পথে পাগল হয়ে কাজ করলে জমিনও উর্বর হবে।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজিবপুর উপজেলার আমীর মাওলানা আবুল বাশার মো. আব্দুল লতিফ এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি আজিজুর রহমান। রৌমারী উপজেলায় এক পৃথক ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আমীর অধ্যাপক হায়দার আলী এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারি প্রভাষক শাহাদাত হোসেন।

উক্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি মুঃ শাহজালাল সবুজ, জননেতা আলহাজ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

মাওলানা আবদুল হালিম আরও বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের জন্য দলের সকল জনশক্তিকে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে, প্রতিবাদের বিরুদ্ধে সংস্কার এবং “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে জনমত তৈরি করতে হবে, যাতে গণজোয়ার সৃষ্টি করা যায়।

সমাবেশে উপস্থিত নেতারা আগামী নির্বাচনে জামায়াতের জন্য সক্রিয় প্রচারণা চালানোর জন্য অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।