নির্বাচন ঘিরে কুড়িগ্রামে স্বস্তির হাওয়া, নেই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ন /
নির্বাচন ঘিরে কুড়িগ্রামে স্বস্তির হাওয়া, নেই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর

আশির্বাদ রহমান ।। কুড়িগ্রাম সদর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো কুড়িগ্রাম জেলাতেও চলছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। তবে এখন পর্যন্ত এ জেলায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা রাজনৈতিক সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও তৎপরতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে বলে জানা গেছে।


চারটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত কুড়িগ্রাম জেলায় প্রার্থীরা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী গণসংযোগ, জনসভা ও অন্যান্য প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। দেশের কিছু অঞ্চলে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও কুড়িগ্রামে তেমন কোনো চিত্র লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে প্রার্থীরা নির্ভয়ে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে নজরদারি ও সমন্বয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসনের এই ভূমিকার ফলে এখন পর্যন্ত চারটি আসনেই রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


কুড়িগ্রাম জেলা রিকশা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সাংবাদিক আশির্বাদ রহমান বলেন, মঙ্গাকবলিত এই এলাকায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংসতা হলে জনজীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি হতো। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


কুড়িগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক অনিরুদ্ধ রেজা জানান, মাঠ পর্যায়ে এখন পর্যন্ত কোনো উল্লেখযোগ্য অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনায় তারা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিয়মিত নির্বাচনী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে কেউ নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করতে না পারে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে।


সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলার নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।