Site icon হামার কুড়িগ্রাম

“ক্যন্সার থেকে বাঁচতে চায় বাবুল, ব্যক্তি ও সংস্থার সাহায্যের আবেদন”

মোঃ মাইদুল ইসলাম, ভূরুঙ্গামারী

মাত্র ২৮ বছর বয়সেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন বাবুল ইসলাম। অসুস্থতার কারণে হারিয়েছেন চলাচলের শক্তি, কর্মক্ষমতা এবং সংসার চালানোর সামর্থ্য। অথচ বাবুলের বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি—তিনি সবার মতোই বাঁচতে চান।

বাবুলকে সহযোগিতা করতে সরাসরি যোগাযোগ করা যেতে পারে ০১৭৩৭৬৪৮৭৬৩ (নগদ/বিকাশ/রকেট) অথবা ন্যাশনাল ব্যাংক ভূরুঙ্গামারী শাখার হিসাব নং ১-২২০-০০৫-৩৬৯৯৬১ এ অর্থ সহায়তা পাঠানো যাবে।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তরছাট গোপালপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে বাবুল একসময় সিরাজগঞ্জে তাঁতের কাজ করতেন। দুই বছর আগে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। তারপর থেকে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কিন্তু ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শেষ সম্বল ১২ শতাংশ জমি ও গরু বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছেন। বর্তমানে আর্থিক অক্ষমতার কারণে চিকিৎসা থমকে গেছে। বাবুলের এক বছর বয়সী অবুঝ শিশু সোহান ও স্ত্রী সুমাইয়াকে নিয়ে দুর্বিষহ দিন কাটছে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বাবুলকে সুস্থ করতে হলে অপারেশন, রেডিও থেরাপি এবং অতিরিক্ত কেমোথেরাপির প্রয়োজন হবে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে।

বাবুল বলেন, “তাঁত কারখানায় কাজ করতাম। জমি, গরু, জমানো টাকা—সব বিক্রি করেছি চিকিৎসার জন্য। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছি না।”

স্ত্রী সুমাইয়া কাঁদতে কাঁদতে জানান,
“আমার স্বামী কাজ করতে পারে না, শুয়েও কষ্ট পায়। এক বছরের একটি শিশু আছে। সংসার চালাবো কিভাবে, চিকিৎসা করাবো কিভাবে—ভেবে পাচ্ছি না। দেশের দয়ালু মানুষ যদি সাহায্য করেন, বাবুলকে বাঁচানো সম্ভব।”

বাবুলের ভাই ময়নাল ইসলাম বলেন, চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে অন্তত ৫ লাখ টাকার প্রয়োজন।

শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ জানান,‌ “পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। ক্যান্সারের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সংগঠন সহযোগিতা করলে বাবুল উপকৃত হবে।”

অসহায় বাবুল ইসলামের পরিবার আজ দেশের দানশীল মানুষের সহযোগিতার অপেক্ষায়। সমাজের সচ্ছল মানুষদের সামান্য সহায়তাই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে এক তরুণ পিতার জীবন।

Exit mobile version