
অনলাইন নিউজ ডেস্ক
কুড়িগ্রাম জেলায় চারটি সংসদীয় আসন।
কুড়িগ্রাম-১ নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা,কুড়িগ্রাম-২ কুড়িগ্রাম সদর,রাজারহাট ও ফুলবাড়ি উপজেলা,কুড়িগ্রাম -৩ উলিপুর উপজেলা এবং কুড়িগ্রাম-৪ রৌমারী,রাজীবপুর ও চিলমারী উপজেলা।
চারটি আসনে একাধিক উপজেলা নিয়ে নির্বাচনী এলাকা হলেও শুধুমাত্র উলিপুর-৩ একটি মাত্র উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে জটিল সমীকরণের মধ্যে পড়েছে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি।
দলীয় বিভক্তি কাল হতে পারে বিএনপির ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।অন্যদিকে গত দুটি নির্বাচনে পতিত আওয়ামী লীগের পাতানো নির্বাচনে এই আসন টি জাতীয় পার্টির হাতছাড়া হয়ে যায়।ফলে দীর্ঘ সময় এমপি না থাকায় সাংগঠনিক ভাবে অনেক দূর্বল হয়ে পড়ে জাতীয় পার্টি।
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে লাঙ্গলের দূর্গ বলে খ্যাত উলিপুর ৩ আসনটি তে আঘাত হানতে মরিয়া আট দলীয় ইসলামী জোট জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন।
ভোটার ও রাজনীতি সচেতনরা বলছেন, বিএনপির পর্যাপ্ত ভোট থাকলেও দলীয় বিভক্তি কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে এই নির্বাচনে।
বিএনপি প্রার্থী সাবেক জেলা সভাপতি তাসভীর উল ইসলাম গ্রুপ এবং মনোনয়নবঞ্চিত রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক গ্রুপের দ্বন্দ্ব ভোটের মাঠে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন সচেতন রাজনৈতিক মহল।
খালেক গ্রুপের সমর্থকরা প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
এ ছাড়াও তাসভীর উল ইসলাম শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোটারদের সঙ্গে অনেকটা দূরত্ব বজায় রেখে নির্বাচনী জনসংযোগ করছেন বলে অভিযোগ প্রতিপক্ষ গ্রুপের।
অন্যদিকে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে উলিপুর ৩ আসনটি লাঙ্গলের দূর্গ হিসেবে পরিচিত।
বিগত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে বরাবরেই এই আসন থেকে লাঙ্গলের এমপি নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
এই আসনে জাপার সম্ভব্য প্রার্থী আব্দুস সোবহান ইতিমধ্যেই উলিপুর উপজেলার সাধারণ ভোটারের নজরের এসেছেন।আব্দুস সোবহানের নানা রকম সামাজিক তৎপরতা ও সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে চলা নতুন করে ভোটারদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন।
বিএনপি উলিপুর ৩ আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করলেও গ্রুপিং রাজনীতি ও আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপির জিতা খুবই কঠিন হবে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।
এছাড়াও আসনটিতে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সাবেক ছাত্রনেতা ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এবং ইসলামী আন্দোলন নেতা সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আক্কাছ আলী সরকার ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরে এরশাদ সিদ্দিকী এবং এনসিপির ইঞ্জিনিয়ার রনি সমান তালে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আপনার মতামত লিখুন :