
ডেস্ক নিউজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২ (২৬) আসনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে জেলা রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। উক্ত আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একাংশ ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের আগে কুড়িগ্রাম-২ আসনটি বিএনপির জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচিত ছিল। স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদী ছিলেন যে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হবে। তবে ফলাফল ঘোষণার পর পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র ধারণ করে।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচনে অনিয়ম ও ফলাফল কারচুপির অভিযোগ এনে তিনি নিজেই বাদী হয়ে বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এ রিট পিটিশন দায়ের করেছেন বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে জেলা বিএনপির অভ্যন্তরে একাংশ নেতাকর্মী অভিযোগ করছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে সাংগঠনিক সমন্বয়ের ঘাটতি এবং কিছু প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করা হয়নি এবং জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তির জন্য আইনি প্রক্রিয়াই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ। আদালতের রায় ও প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাধারণ ভোটারদের একাংশ ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়ে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এখন আদালতের সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন।
আপনার মতামত লিখুন :