
ডেস্ক নিউজ
কুড়িগ্রামে খাদ্য গোডাউনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান পরিচালনা করে ৮ টি গোডাউনে ৫২১ মেট্রিকটন ধান ও সাড়ে ৩৫ মেট্রিকটনের বেশি চালের হদিস পাওয়া পায়নি। এছাড়াও গোডাউনে মজুদ অনেক চালেই পোকাধরা ও খাবার অনুপোযোগ্য।
১১ জানুয়ারি সারাদিন দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন এর সহকারী পরিচালক মো: সাবদারুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে এসব বক্তব্য পেশ করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) এর সহকারী পরিচালক বলেন, যেসব অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয় তা হলো, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্ন মানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয়, গুদামের খাদ্যশস্য অন্যত্র বিক্রয় পূর্বক অর্থ আত্মসাৎ।
এই অভিযান পরিচালনায় খাদ্যশস্য মজুদ নিয়ে যে অভিযোগটি ছিল আমরা এখানে ৮ টি গোডাউনের মধ্যে অভিযান করে ৪ টি গোডাউনে মোট ১১৭৬ বস্তা চাল কম পেয়েছি। আমাদের সাথে এখানকার যে দায়িত্বপ্রাপ কর্মকর্তা ওসিএলএসডি তিনিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও চালের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ পেয়েছি এখানে একটি চালের খামালের বেশিরভাগ চাল পোকাধরা এবং সেটা মনুষ্য খাদ্য হিসেবে অনুপযোগী। এবং ৭ নাম্বার ধানের গোডাউনে থাকার কথা ছিল ৭২১ মেট্রিক ধানের। তবে আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারায় গণনা করে সেখানে আমরা ১৯০ মেট্রিকটন ধানের উপস্থিতি বা মজুদ পেয়েছি। বাকি ৫২১ মেট্রিক টন ধানের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উনারা আমাদের বলেন, আমরা অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মিলাদের কাছে ধান ডেলিভারি করেছি। তবে তারা রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোন প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি।
আপনার মতামত লিখুন :