কুড়িগ্রামে নানান আয়োজনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্‌যাপন


Hamar Kurigram প্রকাশের সময় : মে ৮, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন /
কুড়িগ্রামে নানান আয়োজনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদ্‌যাপন

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল, হামার কুড়িগ্রাম

‘হে নূতন, দেখা দিক আরবার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ’ রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে শুরু হয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর–এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠান। পরে ‘আলোকের এই ঝরনা ধারায়’ ও ‘তোমার খোলা হাওয়া’সহ একের পর এক গান, নৃত্য ও আবৃত্তিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে শহরের আই লাভ কুড়িগ্রাম চত্বর–এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় অনুষ্ঠান শুরু হলেও তার আগেই সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিনোদনপ্রেমী মানুষের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি নৃত্য ও আবৃত্তিও পরিবেশিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত এ-খুদা। আলোচনা পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু এবং জেলার বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক ও রবীন্দ্রপ্রেমী মানুষ।

বক্তব্যে হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, “বাংলাভাষার মানুষ যত দিন থাকবে, তত দিন বাঙালির মানসপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকবেন। যেখানেই প্রেম, বিরহ, সমাজ ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হবে, সেখানেই রবীন্দ্রনাথ বেঁচে উঠবেন।”

সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, “শিল্প ও সাহিত্যচর্চা বাড়লে সমাজে অপশক্তির উত্থান কমবে।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএম কুদরত এ-খুদা বলেন, “রবীন্দ্রনাথ চর্চা করলে তরুণ ছেলে-মেয়েদের বিপথে যাওয়ার পথ বন্ধ হবে।”

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি ও আবৃত্তিকার রফিকুল ইসলাম।