
ডেস্ক নিউজ
কুড়িগ্রামের পুরাতন রেলওয়ে স্টেশনের প্রায় ২০ একর জায়গার সঠিক হিসাব এখনো জনসম্মুখে না আসায় প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
২০০৩ সালে নতুন রেলওয়ে স্টেশন চালু হওয়ার পর পুরাতন স্টেশন থেকে নতুন স্টেশন পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পুরাতন স্টেশন কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। এরপর থেকে প্ল্যাটফর্ম এবং ইয়ার্ড মিলিয়ে প্রায় ২০ একর জায়গার ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুরাতন স্টেশনের সাড়ে ১৭ একর জায়গা প্রায় ৩০ জনকে লিজ দেওয়া হয়েছে। তবে কারা এই লিজ নিয়েছেন—তা এখনো অনেকের কাছে অজানা।
সচেতন মহল বলছেন, কর্তৃপক্ষের অবহেলায় জমির প্রকৃত হিসাব এখন পর্যন্ত সামনে আসেনি। বিষয়টি নতুন নয়—কুড়িগ্রামের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ শফিকুল ইসলাম বেবুর লেখা “কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কুড়িগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন যাচ্ছে ভূমিদস্যুদের কব্জায়” শিরোনামে কলাম দৈনিক ইনকিলাবে ১৭ এপ্রিল ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ ঘোষণা দিয়েছেন, দুই মাসের মধ্যে দেশের সব খাস জমির হিসাব নেওয়া হবে। কুড়িগ্রামের সাধারণ মানুষও দাবি তুলছেন—পুরাতন রেলওয়ে স্টেশনের প্রায় ২০ একর জমির সঠিক হিসাব দ্রুত প্রকাশ করা হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা এবং সাংবাদিক আশির্বাদ রহমান বলেন, এই জায়গাটির সঠিক হিসাব বের করে এলাকার জন্য একটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্প চালু করা যায়। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে এবং এলাকাবাসী কর্ম খুঁজে পাবে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এ জমির সঠিক হিসাব সামনে এলে সরকার চাইলে তা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারবে, যা জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আপনার মতামত লিখুন :