Site icon হামার কুড়িগ্রাম

ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের তালিকা চেয়েছে ডিপিই

দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবনে এখনো পাঠদান কার্যক্রম চলমান থাকায় এসব বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। পাশাপাশি দীর্ঘ ২৫ বছরেও যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়নি, সেসব বিদ্যালয়ের তথ্যও জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) ডিপিই’র পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে ডিপিই। তবে নানা সমস্যার কারণে এখনো অনেক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব বিদ্যালয় ভবন অত্যন্ত পুরোনো এবং যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বিশেষ করে ভবনের কলাম, বীম বা ছাদে ফাটল, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি, প্লাস্টার খসে রড বেরিয়ে আসা কিংবা কমিটির মাধ্যমে অকেজো ঘোষিত ভবনগুলোকে তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যেসব বিদ্যালয়ে এখনো অস্থায়ী বা টিনশেড কক্ষে পাঠদান চলছে, সেগুলোও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রিপ্লেসমেন্ট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

ডিপিই জানিয়েছে, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জেলা ভিত্তিক এসব তথ্য দ্রুত পাঠাতে হবে। আগামী ২৪ মের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী সফট কপি ই-মেইলে এবং হার্ড কপি ডাকযোগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ চিঠির অনুলিপি বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

Exit mobile version