
মোঃ রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে মনোনয়ন জমা কার্যক্রম জমে উঠেছে। সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার অন্নপূর্ণা দেবনাথ এর কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জাতীয় পার্টির চারজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-২ আসনে (২৬) জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদ এর পক্ষে তাঁর পুত্র আবু সুফিয়ান পাভেল মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ ছাড়া একই আসনে নাগরিক ঐক্যের মেজর মুহাম্মদ আব্দুস সালাম (অব), এবি পার্টির মোঃ নজরুল ইসলাম খানসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
দীর্ঘদিনের জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের অংশ কুড়িগ্রামে এবারও দলটি ভোটযুদ্ধে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে চায়। আওয়ামী লীগ মামলার কারণে নির্বাচন অংশগ্রহণ না করায় ভোট নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কা থাকলেও জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণে ভোটারদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ইতোমধ্যে প্রার্থীরা এলাকায় জনসংযোগ ও আগাম প্রচারণায় নেমেছেন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সুশাসনের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। সব প্রার্থীই তুলনামূলক শক্তিশালী হওয়ায় কে আগাম সুবিধায় আছে তা নির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। অনেকে মনে করছেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেই ভোটের মাঠের স্পষ্ট চিত্র বোঝা যাবে।
রিটার্নিং অফিসার অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন,
“কুড়িগ্রামে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। কোনো ধরনের সহিংসতার তথ্য পাওয়া যায়নি। নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রার্থীদের জানানো হবে।”
জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব পনির উদ্দিন আহমেদ বলেন,
“দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নির্দেশে নির্বাচন করছি। এখন পর্যন্ত কোনো বাধা দেখছি না, আশা করছি সুন্দর নির্বাচন হবে।”
নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মেজর মুহাম্মদ আব্দুস সালাম (অব) বলেন,
“কুড়িগ্রাম এখনও উন্নয়ন বঞ্চিত। দরিদ্রতা কমাতে কর্মসংস্থান জরুরি। জনগণের সমর্থন পেলে এ অঞ্চলে বড় পরিবর্তন আনতে চাই।”
আপনার মতামত লিখুন :