ডেস্ক নিউজ
উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এখনো কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন শুরু হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয়রা।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৬টার তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে ধরলা নদীর পানি তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার নিচে এবং ব্রহ্মপুত্র নদ নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬৬ মিটার নিচে ছিল। সকাল ৯টায় দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।
ইতোমধ্যে তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু জমিতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে মরিচ, পটল, বাদাম ও পাটসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। নদীভাঙনের কারণে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কাও বেড়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী কয়েক দিনে তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে এবং জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
