মোঃ মাইদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী
রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারিঝাড় ইউনিয়নে সৃষ্টি হয়েছে তৃণমূল পর্যায়ের এক নতুন রাজনৈতিক জাগরণ। শুক্রবার (১ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার ও জনসমাগমস্থলে শতাধিক নেতাকর্মী ও তরুণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা কর্মসূচি।
লিফলেট বিতরণ ও সরাসরি জনসংযোগের মাধ্যমে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির মূল দর্শন ও লক্ষ্য জনগণের কাছে তুলে ধরেন নেতাকর্মীরা। তরুণদের সরব অংশগ্রহণ ছিল এই কর্মসূচির বিশেষ বৈশিষ্ট্য। অনেকেই দীর্ঘদিন পর রাজনীতির মাঠে ফিরে এসে জানান, ৩১ দফা কেবল একটি দলীয় ইশতেহার নয়, বরং এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র বিনির্মাণের রূপরেখা।
একজন তরুণ কর্মী বলেন, “এই ৩১ দফা আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট ও সাহসী ভাষায় কথা বলেছে। তাই এই আন্দোলন শুধু বিএনপির নয়—এটি আমাদের প্রজন্মের অধিকার ও দায়িত্বের অংশ।”
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. আজিজুল হক, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম শান্ত, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিমুল হক সরকার রাজু, শাহাদৎ হোসেন সোহাগসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও অংশগ্রহণ করেন আন্ধারিঝাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক সামিউল আলম খোকা, যুবদল সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, ছাত্রদল, কৃষক দল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “এই প্রচারণা শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটি রাষ্ট্র সংস্কারের ডাক। ৩১ দফা হলো একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের কাঠামো নির্মাণের দিকনির্দেশনা।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের তৃণমূলমুখী কর্মসূচি ভবিষ্যতের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ রাজনীতিকে নিয়ে যাচ্ছে এক নতুন মাত্রায়।
আন্ধারিঝাড়ে অনুষ্ঠিত এই প্রচারণা কর্মসূচি প্রমাণ করেছে—জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, এবং তারা প্রস্তুত প্রত্যাশার রাজনীতিতে ফিরে যেতে।

